অন্ধ হাফেজ জাহাঙ্গীরের বেঁচে থাকা

0 0


প্রতিবেদক : অন্ধত্ব পুরোপুরি দমাতে পারেনি তাকে ।একে নিয়তি ভেবেই বেঁচে থাকার একটা উপায় বের করে নিয়েছিল মো: জাহাঙ্গীর আলম ।কিন্তু এরপর হৃদরোগ তাকে পুরোপুরি পর্যুদস্ত করে দেয়।একই সাথে চিকিৎসা আর সংসারের খরচ চালানো দিশেহারা করে তোলে জাহাঙ্গীর আর তার পরিবারকে।চিকিৎসার জন্যে অর্থ সংস্থান আর পরিবার-পরিজনের দু-বেলার খাবার সংস্থান করতে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ফিরতে হচ্ছে এখন তাকে।৬ বছর বয়সে অন্ধত্ব বরণ করার পর হাফেজী পড়ায় ভর্তি হয় জাহাঙ্গীর। হাফেজী পাশ করার পর তারবীহ নামাজ পড়িয়ে আর হেফজ শিা দিয়ে জীবনে বেচে থাকার একটা পথ খুজে বের করেছিল জাহাঙ্গীর। কিন্তু ২০০৭ সালে হৃদরোগ দেখা দিলে পুরোপুরি অসহায় হয়ে পড়ে সে।তার বাবা আবদুল জলিলও হত-দরিদ্র। ছেলের চিকিৎসায় হাত বাড়িয়ে দেয়ার মতো সামান্য সামর্থ্যও নেই এই বৃদ্ধের।নবীনগরের সাতমোড়া গ্রামের হাফিজীয়া মাদ্রসায় পড়ে থেকে মানুষের সাহায্য-সহযোগিতাতেই এখন দিন পার করছে জাহাঙ্গীর।এর আগে নবীনগরের লাউর-ফতেহপুর হাফিজীয়া মাদ্রসা থেকে হাফেজী পাশ করে এ গ্রামের মসজিদেই নামাজ পড়াতো সে। হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ৪২ বছর বয়স্ক জাহাঙ্গীরের চিকিৎসায় দরকার অনেক অর্থের ।কিন্তু সে উপায় নেই।একজন অন্ধ হাফেজের চিকিৎসা সহায়তায় সমাজের বিত্তশালী ও হৃদয়বান মানুষ হাত বাড়িয়ে দেবেন এই আশা করছেন জাহাঙ্গীর আর তার বৃদ্ধ বাবা-মা।       জাহাঙ্গীরের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামে।সংসারে বৃদ্ধা বাবা-মা ছাড়াও রয়েছে স্ত্রী ও তিন পুত্র সন্তান। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা জাহেরা খাতুন, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ১৪৭৫২, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, কোম্পানীগঞ্জ শাখা, কুমিল্লা। মোবাইল : ০১৭৪৫১৪০৩৭৫, ০১৭১২০৬১৮৭১।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

Shares