রিছেল হত্যার প্রধান আসামী রফিকের গ্রেফতার ও বহিস্কার দাবীতে উত্তাল শহর

0 0


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রকাশ্যে দিনে-দুপুরে রিছেল পাঠান নামে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ১০ দিনেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।এ ঘটনায় ক্ষোভে ফুসছে এলাকাবাসী।মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা আশংকা ও হতাশা বিরাজ করছে মামলার বাদী পরিবারে।এ ঘটনার প্রধান আসামী শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সহ আসামীদের গ্রেফতার দাবীতে মিছিল,সমাবেশ ও মানববন্ধনে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া।গতকাল রবিবার সকাল ১০ টার পর থেকেই শহরের কান্দিপাড়া মাইমল হাটি থেকে সহস্রাধিক নারী-পুরুষ রিছেলের ছবি,প্রধান আসামী রফিকের ছবি সম্বলিত নানা পোষ্টার,ফাঁসির দাবী লেখা ব্যানার নিয়ে খন্ড-খন্ড মিছিল নিয়ে শহরের টিএ রোড,প্রেসক্লাব চত্বর,পৌর আধুনিক সুপার মার্কেট চত্বর ও কুমারশীল মোড় এলাকায় জমায়েত হতে থাকে।সকাল সাড়ে ১০ টার পর থেকে তারা শহরের স্মরণকালের সবচেয়ে বড়ো মানববন্ধন গড়ে তোলে।এসময় নেতৃত্ব দেয় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাজি মাহমুদুল হক ভূঞা,আওয়ামীলীগ নেতা কাচন মিয়া,শহর যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক আলামিন সওদাগর,জেলা মৎস্যজীবিলীগ সাধারন সম্পাদক সাকিল মিয়া,রিছেলের বাবা ইয়াছিন পাঠান,মা রহিমা বেগম,ফুফু লাভলী বেগম,ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি খলিল মিয়া,শহর আওয়ামীলীগ নেতা মস্তু মিয়া,আবদুর রহমান।মানববন্ধনটি শহরের কুমারশীল মোড় থেকে শুরু করে কালিবাড়ির মোড় পর্যন্ত গড়ায়।মানববন্ধন থেকে শতশত নারী-পুরুষের শ্লোগান,রিছালের পরিবারের লোকদের চিৎকার,আহাজারিতে পুরো এলাকা প্রকম্পিত হয়ে উঠে।দুপুর ১২ টার দিকে পুরায় তারা মিছিল করতে করতে এলাকায় ফিরে যায়।মিছিলে বিপুল সংখ্যক নারী অংশ নেয়।এসময় তাদের অনেকে ঝাড়– বহন করে আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে অশ্লীল শ্লোগান দেয়।এলাকাবাসীর মিছিল,সমাবেশ,মানববন্ধন চলাকালে শহরের প্রধান সড়কটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে।ব্যাহত হয় যান চলাচল।তীব্র যানজটে নাকাল হয়ে পড়ে শহরবাসী।মানববন্ধন চলাকালে মাইকে বক্তাগণ ও পরিবারের সদস্যরা অবিলম্বে রিছেল হত্যার প্রধান আসামী রফিক সহ সকল আসামীদের গ্রেফতার এবং আওয়ামীলীগ থেকে রফিককে বহিস্কারের দাবী জানায়।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

Shares