৫২ জন শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থল কসবা কোল্লা পাথর

0 0

খ.ম.হারুনুর রশীদ ঢালী ::  বিজয়ের মাস ডিসেম্বর মাস। ফিরে এসেছে বাঙালির অহংকার ও গৌরবের মাস ডিসেম্বর। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা স্বাধীনতার আন্দোলন পরিণত হয়েছিল সশস্ব্র মুক্তির সংগ্রামে। হাজার বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরে জাতি পেয়েছিল স্বাধীনতার স্বাদ। বাংলার আকাশে উদিত হয়েছিল স্বাধীনতার লাল সূর্য। পৃথিবীর বুকে জন্ম নিয়েছিল বাংলাদেশের নামে নতুন একটি দেশ। বিজয়ের আনন্দে সারা দেশ ব্যাপি স্বাধীনতার কেতন ওড়ানো ডিসেম্বর তাই প্রত্যেক বাঙালির নিরন্তর প্রেরণার উৎসব। ডিসেম্বর মানে মুক্তিযুদ্ধের একটি সংগ্রামী নাম, একটি ইতিহাস,একটি স্বাধীনতা, শেখ মুজিবুর রহমানের একটি নাম । ডিসেম্বর মানেই অজেয় বাঙালি দুর্জয়।সাহসের গৌরবগাথা । এই মাসটি আনন্দ আর হৃদয়ের আবেক অনুভূতি নিয়ে নানা আনুষ্ঠিকতায় জাতি পালন করে। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষের ত্যাগ ও সংগ্রামের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ । মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত একটি দর্শনীয় স্থান “কসবা কোল্লা পাথর সমাধিস্থল ”। আপনি যে কোনো সময়ে সপরিবার নিয়ে ঘুরে আসুন মুক্তিযুদ্ধ সমাধিস্থল কোল্লা পাথরে । এই সমাধিস্থলে রয়েছে ৫২ জন শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধি । তার মাঝে তিন জনের নাম নেই । একটি রেষ্ট হাউজ। হৃদয় আলোড়িত করবে সবুজ পাহাড়েরর বৃক্ষে। প্রতিদিন অগণিত দর্শনাথীদের আগমনে সরব হয় এ স্মৃতি কোল্লাপাথর।দর্শনাথীদের অনেকেই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। আবার আনেকে মুক্তিযুদ্ধে না দেখেও হৃদয়ে ধারণ করতে চান সেই মুক্তিসংগ্রামের দিনগুলোকে। অনুধাবন করতে চান মুক্তিযুদ্ধের রক্তস্নাত র্মর্মার্থ।  মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের ওপর ভিওি করেকোল্লাপাথরে সারি বদ্ধভাবে নাম ঠিকানা অনুসারে শহীদের কবর সাজানো হয়েছে । ফলে দর্শনার্থীরা খুব সহজেই মুক্তিযুদ্ধের শহীদ বীরদের পরিচয় সম্পর্কে জানতে পারছে। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের পুরো জাতির যেমন গৌরবের ও অহংকারের বিষয়, তেমনি বেদনারও কম নয়। আমরা হারিয়েছি ৩০ লাখ বাঙালি সন্তানকে। এই রক্তস্নাত মুক্তিযুদ্ধকে জাতির সামনে তুলে ধরার মহান প্রয়াস নিয়ে এগিয়ে চলেছে মুক্তিযুদ্ধ ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা কোল্লাপাথর সমাধিস্থল ।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

Shares