জনতার গণপিটুনীতে এক ডাকাত নিহত

0 0
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় জনতার গনপিটুনীতে আহত দুর্ধষ ডাকাত মুরাদ মিয়া (৪০) গত মঙ্গলবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত শেষে নিহতের পরিবারের নিকট লাশ হস্তান্তর করেছে।  নিহত মুরাদ মিয়া কসবা উপজেলার মুলগ্রাম ইউনিয়নের শ্যামবাড়ী গ্রামের মৃত আবুল হোসেনে পুত্র। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে; কসবা উপজেলার মুলগ্রাম ইউনিয়নের রাইতলা গ্রামে গত শনিবার (১২ জানুয়ারি) গভীর রাতে মুরাদ মিয়া স্কুলের পাশে একটি দোকানের সামনে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে দেখে ফেললে সে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় এলাকার লোকজন তাকে আটক করে গণধোলায় দিয়ে স্থানীয় স্কুল মাঠে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরদিন রোববার (১৩ জানুয়ারি) সকালে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মুরাদকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করে। তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পুলিশ পাহাড়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুরাদ মিয়া গতকাল মঙ্গলবার সকালে মারা যায়।

পুলিশ নিহতের লাশ ময়না তদন্ত করে গত মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নিহতের স্ত্রীর ভাই সফিকুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করেন।  নিহত মুরাদ মিয়ার স্ত্রী রিনা আক্তার বলেন; তার স্বামীর আরো একজন স্ত্রী আছে। ঘটনার রাতে ওই স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিল। সেই স্ত্রীর ভাইদের কাছে বিদেশের টাকা পয়সা নিয়ে ঝগড়া করে বাড়িতে ফেরার পথে স্কুলের কাছে ১০/১৫ জন লোক তাকে কুপিয়ে ও মারধোর করে আহত করে। গত মঙ্গলবার সকালে মারা যায়।  কসবা থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মো. মজিবুর রহমান বলেন; মুরাদ এলাকায় দুর্ধষ হিসাবে পরিচিত। গত ১২ জানুয়ারি রাতে জনতার গণপিটুনীতে মুরাদ গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কসবা পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই দিন সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুরাদ মারা যায়। ময়না তদন্ত শেষে নিহতের লাশ তার আত�ীয় সফিকুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করেছে।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

Shares