সরাইলে এসআই মাসুদ রানার কান্ড, আদালতে আদেশ অমান্য করে আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ!

0 0


প্রতিবেদক : একেই বলে পুলিশ! আদালতের আদেশ মানতেও দিলেন চরম দু:সাহসিকতার পরিচয়। রিমান্ড সংক্রান্ত আদালতের আদেশ অমান্য করে তদন্তের নামে আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানায় কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা মাসুদ রানা। আর এজন্য ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
জানা যায়, জেলার সরাইল থানায় রজুকৃত একটি মামলার (নং ২৬ তাং ১০.০৬.২০১৩ইং) সাগর নামে এক হাজতি আসামীর আদালতে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) মাসুদ রানা। আবেদনের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালতে গত ১৩ জুন ওই হাজতির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। কিন্তু এক সপ্তাহেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও আসামীকে রিমান্ডে নেয়নি এসআই মাসুদ রানা। এরই প্রেক্ষিতে আদালত গত ২৬ জুন আসামী সাগরের রিমান্ডের আদেশ বাতিল করেন। শুধু তাই নয়, আদালতের তরফে ৩১৮ নং স্মারকমূলে সরাইল থানার ৮৭৩ নং এমসিসিমূলে ওই তারিখেই কনস্টেবল মো. কাজী জালালকে (কং নং ৫০০) বুঝিয়ে দেয়াসহ থানার প্রাপ্তি নিশ্চিত করা হয়। কিন্তু  মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) মাসুদ রানা তিনদিন পর গত ২৯ জুন তারিখ আদালতের রিমান্ড বাতিলের আদেশ অমান্য করে শিষ্টাচার পরিপন্থী কার্যকলাপে লিপ্ত হয়। পেনাল কোড’র ১৮৮ ধারা  লঙ্ঘন করে আসামীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গত ১ জুলাই আদালতে সোর্পদ করেন। এদিকে আসামী পক্ষের আইনজীবী গত ৪ জুলাই আদালতের আদেশ অমান্য করায় মামলার তদন্তকারী কর্মকতা মাসুদ রানার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রার্থনা করেন। এরই প্রেক্ষিতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুর রহমান সিদ্দিক সংশ্লিষ্ট মামলাটির আইও’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ডিআইজি চট্টগ্রাম রেঞ্জ, পুলিশ সুপার ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে নির্দেশ প্রদান করেন।

এ ব্যপারে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উত্তম কুমার চক্রবর্তী এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

Shares