উকিল আবদুস সাত্তার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত

0 0

জাতীয় সংসদ উপনির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা, স্বতন্ত্র প্রার্থী উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।

তিনি ৪৬ হাজার ৩২৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি লাঙ্গল মার্কার প্রার্থী আব্দুল হামিদ খান পেয়েছেন ৯৫০০ ভোট। নিখোঁজ প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদ মোটর গাড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৩২৩৮ ভোট।

বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ইভিএমের মাধ্যমে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উপনির্বাচনে মোট ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী উকিল আব্দুস সাত্তার (কলারছড়ি), জাতীয় পার্টির আব্দুল হামিদ ভাসানী (লাঙ্গল), জাকের পার্টির জহিরুল হক জুয়েল (গোলাপ ফুল) ও বিএনপির বহিষ্কৃত আরেক নেতা আবু আসিফ আহমেদ (মোটরগাড়ি) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এদিকে নির্বাচিত হওয়ার পর দেশ ও জনগনের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে সাত্তার ভুইয়া বলেন, দুঃসময়ে যারা পাশে থেকে ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করেছেন তিনি তাদের সার্বিক কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি যেহেতু দীর্ঘদিন একটা সংগঠন করেছি। সে সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি এখনো আমার সহানুভুতি রয়েছে এবং তাদের আমি ভালবাসি। বিশেষ কারণে দলত্যাগ করে আমাকে নির্বাচন করতে হয়েছে। কারণ জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগনের কল্যাণ করার যে সুযোগ থাকে বাইরে থেকে তা সম্ভব হয় না।

দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে এ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৩১৯ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫০৩ ও নারী ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮১৫ জন। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের একজন ভোটার রয়েছেন।

আশুগঞ্জ ও সরাইল উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের মোট ভোটার ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৩১৯। ১৩২টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ৬০ হাজার ১২২টি, যা মোট ভোটের ১৬ দশমিক ১০ শতাংশ।

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ১৭টি ইউনিয়নে ১৭ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেছেন।

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় ১১০০ পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ৪ প্লাটুন বিজিবির সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। এছাড়াও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে র‌্যাবের ৯টি টিম, পুলিশের ৯টি মোবাইল টিম ও ৪টি স্ট্রাইকিং টিম।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

Shares