ট্রেন ডাকাতিতে নিহতদের স্বজনদের পাশে ইঞ্জিঃ শ্যামল

0 0

স্বজন হারানোর বেদনা যদি অন্তরে থাকতই তাহলে এতদিনে কেউ না কেউ তাদের পাশে আসত.. ইঞ্জিঃ শ্যামল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিঃ খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল মঙ্গলবার পূর্বাঞ্চলের মেরাসানী গ্রামে গত বৃহস্পতিবার আখাউড়া থেকে ঢাকাগামী তিতাস কমিউটার ট্রেনে ডাকাতদের হাতে নিহত মেরাসানী গ্রামের সুধু মিয়া, একই গ্রামের শাহানা বেগম, পশ্চিম কালাছড়া গ্রামের ডঃ ফরিদ আহমেদের বাসভবনে যান এবং তাদের সন্তান ও স্বজনদের খোঁজ খবর নেন।
এসময় তিনি বলেন, এই সরকারের আমলে দেশের জনগণের জানমালের কোন নিরাপত্তা নেই। দেশএখন এমন এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে যে, ঘর থেকে বের হওয়ার সময় ঘরে ফিরে আসার নিশ্চয়তা থাকেনা। ঘরে থাকলে হত্যা আর বাইরে থাকলে গুম, এই সরকারের আমলে তা স্বভাবে পরিনত হয়েছে। স্বজন হারানোর বেদনা যদি অন্তরে থাকতই তাহলে এতদিনে কেউ না কেউ তাদের পাশে আসত। আমি হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের কাঠগড়ায় দাঢ় করানোর জোর দাবী জানাচ্ছি।

এসময় তার পাশে ছিলেন, যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর হমান, ছাত্রদল সভাপতি শামীম মোল্লা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ বায়েজিদ আহমেদ হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মোঃহাফিজুল্লাহ, জেলা বিএনপির সদস্য কাজী ইসমাইল, যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য জসিম চৌধুরী, আইয়ুব,জালাল, উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নুরুল হুদা, বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আ.হ.ম শফিকুর রহমান, পত্তন ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মান্না,বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অলিউল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক শফিক মাষ্টার, সাংঘঠনিক সম্পাদক আলি আজহার মেম্বার, আব্দুল কাদের, বিএনপি নেতা শাহাবুদ্দীন, বিষ্ণুপুরের মুন্না, ছাত্রদল নেতা সালাউদ্দীন, মামুন,সানী, শাহীন,কামাল প্রমুখ।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

Shares